1. tarekahmed884@gmail.com : adminsonali :
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৩৫ অপরাহ্ন

সাংবাদিক মোঃ মেরাজ আলীর জীবনের ছোট একটা গল্প

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট, ২০২১
  • ১৮৩২ Time View

দৈনিক মৌলভীবাজার সোনালী কণ্ঠ নিউজ ডট কম

আমার নাম মোঃ মেরাজ আলী আমার জীবনের ছোট একটা গল্প বলবো আমার পিতার নাম আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল হান্নান পীর সাহেব দাদার নাম আলহাজ্ব মুন্সি মোহাম্মদ মোজাফফর উদ্দিন ওরফে খয়রুল্লাহ মিয়া আমার দাদার বাপের নাম মুন্সি মোহাম্মদ তুরাব উল্লাহ আমার দাদার দাদার নাম মুন্সি মোহাম্মদ গাউস মোহাম্মদ তিনির বাড়ি ছিল সিলেট জেলায় ফুলতলা গোস মোহাম্মদের ছেলে তুরাব উল্লা সাহেব মৌলভীবাজার জেলার হাসানপুর গ্রামে আসিয়া বসবাস শুরু করেন তুরাব উল্লাহ সাহেব জীবনের দুই সংসার করেন প্রথম সংসারে জন্মগ্রহণ করেন একমাত্র ছেলে আলহাজ মুন্সি মোহাম্মদ মুজাফফর উদ্দিন ওরপে খয়ৱোললা উল্লাহ মিয়া আমি মোঃ মেরাজ আলীর দাদাজি দ্বিতীয় সংসারে 6 টি সন্তান জন্ম হয় সন্তানের নাম হল 1 নং সন্তান আলকাছ মিয়া 2 নং সন্তান বায়তুল্লাহ মিয়া 3 বাদুল্লা মিয়া 4 ওসমান মিয়া 5 নং সন্তান উমর আলী 6 নং মুসিম উল্লাহ আমার দাদার বাবা জনাব মুন্সী মোহাম্মদ তুরাব উল্লাহ সাহেব তৎকালীন ব্রিটিশ আমলে তখনকার জমিদারি প্রথা ছিল সেই যুগে হাসানপুর গ্রামে যখন বসবাস করতেন তখনকার সময় হাসানপুর গ্রামটি বন্যায় প্লাবিত হয়ে আমাদেৱসব ফসল নষ্ট হয়ে যেত তখন তিনি চিন্তা করলেন সুন্দর বসবাস করার উপযোগী জায়গা ক্রয় করিতে হইবে যেই চিন্তা সেই ভাবনা তখনকার সময় ব্রিটিশ আমলে এক জমিদারকন্যা নিকট থেকে মৌলভীবাজার জেলার মাতারকাপন গ্রামের বিরাট এক জমির অংশ ক্রয় করলেন আমার দাদার বাবা জনাব মুন্সী মোহাম্মদ তোরাব
No description available.No description available.
উল্লাহ সাহেব আমার জানা মতে
আমার দাদার কাছ থেকে গল্প শুনেছি সেই টিলায় আশপাশ জমিজমা যাহা ছিল সমস্ত কিছুই দাদার বাবা ক্রয় করেছিলেন সেই মাতারকাপন দাসপাড়া গ্রামে বিরাট জমি-জমা টিলা সহ অনেক জমিজমা নিয়ে ছেলেমেয়েদেরকে নিয়ে বসবাস শুরু শুরু করলেন এরপর যখন আমার দাদারা বয়স্ক প্রাপ্ত হলেন তখন আমার দাদার বাবা মুন্সী মোহাম্মদ তুরাব উল্লাহ সাহেব 7 পুত্রকে পৃথক করে দিলেন তখন আমার দাদা 6 বাই এক মায়েৱ গডেৱ ছিলেন এবং আমার দাদা ছিলেন এক মায়ের এক সন্তান পিতক যখন করে দিলেন তখন আমার দাদাকে একটি বাগান 50 কেয়াৱ মত জমি দিয়েএবং ক্ষেতের জায়গা 30 কেয়াৱ এৱ মত জায়গা দিয়ে পিতক করে দিলেন তখনকার ব্রিটিশ আমলে আমার দাদার এসব জায়গা জমি দেখাশুনা করতে এবং কেত কৃষি করতে ভালো লাগতো না তাই তিনি একসময় ভারতের কলিকাতা চলে গেলেন সেখানে গিয়ে তিনি জাহাজে কাজ করতে শুরু করলেন তখন ব্রিটিশ আমলে জার্মান এবং ব্রিটিশ বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানিরা ব্রিটিশের জাহাজ ধ্বংস করল ওই সময় আমাদের মৌলভীবাজার জেলার কচুয়া একাটুনা উত্তর মোলায়েম সহ মৌলভীবাজার জেলার 28 – জন প্রাচীন ব্যক্তি ওই জাহাজে কর্তব্যরত ছিলেন উনারা সবাই তখন নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন অনেকদিন উনারা নিখোঁজ ছিলেন দাদা আমার সাথে গল্প করেছেন সাগরের উপরে এক দ্বীপের মধ্যে অর্থাৎ তিন মাস বসবাস করার পর একদিন এক জাহাজ উনাদেরকে বন্দী করে লন্ডনে নিয়ে চলে যায় সেখানে যাওয়ার পর ব্রিটিশ সরকারের কর্তব্যরত ব্যক্তিরা উনাদের বিষয় পর্যালোচনা করে জানতে পারে যে উনারা ব্রিটিশের জাহাজে কর্তব্যরত ছিল তখন উনাদেরকে লন্ডন বসবাস করার সুযোগ দেয় অনেকদিন পর সেই 28 জন ব্যক্তি বিলাতে আশ্রয় পেয়ে যখন বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার 28 জন ব্যক্তি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার সুযোগ পেল তখন তারা সেই যুগের সেই আমলে ইয়ার লেটারের মাধ্যমে 28 জন 28 কানা চিঠি তারা লিকে বাংলাদেশ পোস্ট করে এরই মধ্য আমাদের বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় ঘটে যাওয়া নতুন ঘটনা আমার দাদার বাড়িতে আমার দাদার আওলাদ আত্মীয়-স্বজন যারা আছেন সবাই অনেক দিন অপেক্ষা করার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে মুন্সি মোহাম্মদ মোজাফফর উদ্দিন উরুফে খয়রুল্লাহ মিয়াসহ 28 জন এরা কেউই আর পৃথিবীতে নেই সুতরাং আমরা 40 দিনের সিন্নি করে ফেলব বলে একটা তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং যথাসময়ে যথা দিনে শিন্নি উপস্থাপন করা হয় সিন্নি বন্টন করার কিছু আগে আমার দাদিকে নিয়ে গোসল করানো হয় এবং হাতের কাছ ভেঙ্গে ফেলার জন্য বলা হয় তখন আমার দাদী সকলের উদ্দেশ্যে এই কথা বলেন যে আমি আমার হাতের কা ছ ভাঙবো না া না এবং সাদা কাপড় পড়বো না আমার স্বামী জীবিত আছেন আমি আরো অনেক দিন অপেক্ষা করিব তখন পাড়া-প্রতিবেশী আত্মীয়স্বজনসহ অনেকেই উনাকে অনেক ভাবে বুঝেছিলেন কিন্তু উনি সেই কাজ করেননি এর পরেই ঘটল আরো এক নতুন ঘটনা ক ই থেকে হঠাৎ এক বুজুর্গ ব্যক্তি ফকিরের বেশে সিন্নি বাড়িতে প্রবেশ করিলেন ওই বুজুর্গ ব্যক্তি শিন্নি বাড়িতে প্রবেশ করিয়া হাক মারি বললেন এই বিয়া কলের দল জীবিত ব্যক্তি গনের 40 দিনের সিন্নি তোমরা করতেছ কেন আজি তোমরা চিঠি পাইবে সবাই জীবিত আছে এরকম কথা বলেই এই বুজুর্গ মহান ব্যক্তি উদাও হয়ে গেলেন আর তাকে খুঁজে পাওয়া গেল না এরমধ্যে বাড়িতে হাল্লা শীটকার শুরু হয়ে গেল সবাই হতবাক যাই হোক হঠাৎ বিকেল পাঁচটার সময় পোস্টমাস্টার এবং পোস্ট পিয়ন সহ আমাদের দাদার বাড়িতে উপস্থিত পোস্টমাস্টার অট্টহাসি দিয়ে দাদার নামে চিঠি বাই ৱ করে দিলেন আমৱ দাদির হাতে চিঠি পেয়ে যেমন দাদি আমার নতুন জীবন পাইলেন হাসতে হাসতে কাঁদতে কাঁদতে অজ্ঞান হয়ে গেলেন কিছু সময় পর সেই ব্রিটিশ আমলের ইয়ার লেটার মার্ক চিঠিখানা খুলে সবাই মিলে পাট করিয়া জানিতে পারিলেন উনারা 28 জন জীবিত আছেন এবং শান্তিতে আছেন কিছুদিনের মধ্যেই নিজ নিজ বাড়িতে আসবেন কোন চিন্তা করিবেন না তারপর বছর খানেক পর আমার দাদা স্বদেশে আসিলেন যখন বাংলাদেশ আসিলেন নিজ বাড়িতে অবস্থান করিলেন তখন গ্রামের অনেক মানুষ আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব পাড়া-প্রতিবেশী সবাই দাদাকে দেখতে আসেন এবং সম্পূর্ণ ঘটনা যা হয়েছিল তাদের জীবনে অনেক গল্প গুজব হল খাওয়া-দাওয়া আনন্দ বেশ মজা হলো এভাবে বেশ কিছুদিন চলে যাওয়ার পর নতুন ঘটনা আরেকটি গঠনা মুন্সী মোহাম্মদ মুজাফফরুদ্দীন উরফে খয়রুল্লাহ মিয়াকে নিয়া অর্থাৎ আমার দাদা খয়রুল লা মিয়া তখনকার যুগে নামিদামি সম্মানী ব্যক্তি ছিলেন তিনিৱ আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব পাড়া-প্রতিবেশীরা দাদা কে বললেন আপনার বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া দাওয়াত আসা-যাওয়া এগুলো হারাম কারণ আপনি ব্রিটিশের দেশ থেকে টাকা এনেছেন এরকম আজগুবি কথা তখনকার যুগে অনেকেই বিশ্বাস করত এবং দাদাকে ফুসলাইয়া দিয়া তখন তো অনেক ক্ষতি করেছিল তাই তখন বিলেতে যাওয়ার চিন্তা মাথা থেকে সৱাইযা পেলেন আমার দাদা যাই হোক এরপর আমার দাদা এই মাতার কাপন মৌলভিবাজার সদর উপজেলার দাসপাড়া গ্রামে
তখন সারদাস জমিদারের নিকট থেকে আরও বেশ কিছু জমি-জমা ক্রয় করলেন এবং সারদাস জমিদারের বাড়ি ক্রয় করলেন সেই বাড়িতে একটি বড় জমিদারের ঘর পাওয়া গিয়েছিল এবং ঘরের নিচে একটি টাকা রাখার সন্দক বৃষ্টি নি ছিল তখনকার সময় তখনকার যুগে এইসব জমিজমা নিয়ে বিরাট বড় গিরিস্তেির কাজ শুরু করিলেন দ্বিতীয় পর্ব আমার দাদা আলহাজ্ব মুন্সী মোহাম্মদ মুজাফোর উদ্দিন উরফে খয়রুল্লা মিয়া বিবাহ করেন সদর উপজেলার মৌলভীবাজার কচুয়া সেখের বাড়ি মুন্সি সাইদুল্লাহ সাহেবের মেয়ে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে শেখের বাড়ি বাদশা মিয়ার ও হবিব মিয়া নজির মিয়া দ্বিতীয় বোন ফিরোজ মিয়া লন্ডনী সাহেবের ফুফু জনাব শুরুক মিয়া লন্ডনী ফারুক মিয়া ফরুক মিয়া লন্ডনের দাদি সেই সাম্রাজ্য পরিবারের মেয়ে আমার দাদী সেক মেহেরুন্নেসা কচুয়া শেখের বাড়ি আমার বাবার আরও আত্মীয়-স্বজন আছে যেমন আমার বাবার মামার নাম তৎকালীন ব্রিটিশ আমলের আমেরিকান প্রবাসী আবু মিয়া তেরা মিয়া পীর সাহেব যখন মানুষ লন্ডন আমেরিকা বলতে কিছুই বুঝতো না তখন আমার বাবার মামা জনাব আবু মিয়া আমেরিকা স্থায়ীভাবে বসবাস কৱে আসছিলেন সেই সময় পরিবারের ছেলে আমার দাদীর মেহেরুন্নেসার ঔরসে জন্মগ্রহণ করেন আমার বাপ চাচা 5 জন ও ফুফু দুইজন আমার বড় চাচার নাম জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান লন্ডন প্রবাসী আমার আব্বার নাম জনাব মোঃ আলহাজ্ব আব্দুল হান্নান পীর সাহেব আমার তৃতীয় চাচার নাম জনাব মোঃ আব্দুল কালাম আজাদ আমার চতুর্থ চাচার নাম জনাব মোঃ আব্দুল মালিক সাবেক পোস্টমাস্টার আমার পঞ্চম চাচার নাম হাজী মোঃ আব্দুর রকিব আমার বড় চাচা বিবাহ করেন মৌলভীবাজার জেলার কোনাগাঁও গ্রামে তখন কাৱ যুগের কোব নামিদামি পরিবার চৌধুরী বাড়ি নানু মিয়া চৌধুরী সাহেবের দ্বিতীয় বোন আমার বড় চাচার পরিবারের দুইজন লন্ডনের স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন আমার আব্বা জনাব আলহাজ্ব আব্দুল হান্নান সাহেবের বিবাহ করেন অর্থাৎ আমি মোঃ মেরাজ আলী সাহেবের নানার বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার কুইসার গ্রামের সৈয়দ বাড়ি আমার নানার নাম সৈয়দ হাবিবুর রহমান ওরফে মোস্তফা মিয়া আমার নানার পিতার নাম মরহুম সৈয়দ মৌলানা আব্দুল বারী সাহেব সেই ব্রিটিশ আমলের এক প্রাচীন মৌলানা ছিলেন আমার ননাৱ চাচতো ভাই সৈয়দ জয়নাল আবদীন অ্যাডভোকেট মৌলভীবাজার জজ কোর্ট হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্ট আমার নানার চাচা সৈয়দ মাহমুদ আলী সৈয়দ আব্দুল বারী মাওলানা সৈয়দ মদরিছ আলী আমার নানার চাচাতো ভাইয়ের নাম সৈয়দ সাদ আলী সৈয়দ এলাচ ই আলী সৈয়দ আবুল কালাম আমার দুই মামা একজন সৈয়দ আবদুস শহীদ আর একজন সৈয়দ আব্দুল মালিক আমার তিন খালু আমার ছোট মামা সৈয়দ আব্দুল মালিক সাহেব প্রবাসে থাকেন তিনি বছরে 2-3 বার লন্ডন আসা-যাওয়া করেন তিনি দুই মেয়ের লন্ডনে সেটেল্ড স্থায়ী বসবাস করিতেছেন আমার বড় মামা সৈয়দ আবদুস শহীদ সাহেব প্রবাসে 20 বছর ছিলেন বর্তমানে তিনি রিটায়েট তিনিৱ এক ছেলে এক মেয়ে লন্ডনে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেছেন আমার বড় খালা কে বিবাহ দেওয়া হয় একাটুনা খান বাড়ি জনাব আশ্রব কা লন্ডনি সাহেবের নিকট আমার বড় খালা সৈয়দা খয়রুন সপরিবারে লন্ডন বসবাস করিতেছেন আমার মেজো খালার বিবাহ হয় মারকো না মালদার বাড়ি জনাব মিলাদ মিয়ার সাথে আমার ছোট খালাকে বিবাহ দেওয়া হয় বানুগাছ সৈয়দবাড়ি সৈয়দ ফয়সাল মিয়া ৱ সাতে আমার বড় মামা বিবাহ করেন ভানুগাছ সৈয়দবাড়ি আমার লন্ডনপ্রবাসী ছোট মামা সৈয়দ আব্দুল মালিক বিবাহ করেন ঢাকাতে এই আমার নানার বাড়ির পরিচয় শেষ হলো আমার তৃতীয় চাচা জনাব মোঃ আব্দুল কালাম আজাদ বিবাহ করেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলার হাকাইল কোডা বারনতি গ্রাম তালুকদার বাড়ী জনাব আলপু মিয়া তালুকদারের মেয়ে তিনিৱ দুই মেয়ে লন্ডনে স্থায়ীভাবে বসবাস করিতেছেন আমার ছোট চাচা জনাব আব্দুল মালিক সাবেক পোস্টার বিবাহ করেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলা কদম আটা সৈয়দবাড়ি প্রবাসী সৈয়দ শামসু মিয়া এবং সৈয়দ কবিৱ মিয়ার তাদের ছোট বোন তিনিৱ 1 ছেলে লন্ডনে স্থায়ীভাবে বসবাস করিতেছে এবং3 ছেলে সরকারি চাকরি করিতে ছে এবং ছোট মেয়ে ডাক্তারি দিতেছে আমার সর্বশেষ কনিষ্ঠ ছোট চাচা জনাব হাজী আবদুর রকীব বিবাহ করেন সদর উপজেলা মৌলভীবাজার সরকার বাজার সাধুহাটি গ্রামে নুরুল ইসলাম লন্ডনী সাহেবের ছোট বোন তারা পাঁচ ভাই বিলেতে সেটেল ভাবে বসবাস করিতেছে তিৱিৱ ছেলে মেয়ে লেখাপড়া করতেছেন এবং এক কন্যা লন্ডনে বসবাস করিতেছে আমার ছোট ফুফু সইফুল বেগমকে বিবাহ দেওয়া হয় মৌলভীবাজার সদর উপজেলার একা টু না গ্রামে সেই ব্রিটিশ আমলের 28 জনের লন্ডন যারা জাহাজ থেকে উঠেছিলেন তাদের পরিবারের একজনের সাথে উনাদের পরিবারে বায়ান্ন জন লন্ডন সেটেল ভাবে বসবাস করিতেছে সেই ব্রিটিশ আমলের 28 জনের সাথে ৱ লন্ডনে জনাব আবৱো মিয়া হাজী ও জনাব হাজী আরজু মিয়া ছোট ভাই হাকু মিয়ার সাথে আমার ছোট ফুফু ছয়ফুল বেগমকে বিবাহ দেওয়া হয় তিনি বড় ছেলে লন্ডনে সেটেল্ড ভাবে বসবাস করিতেছি আমার বড় ফুফু সমিরন নেসা কে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শ্যামের কোনা গ্রামের পুটার সরি বাড়ি এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে জনাব আব্দুল গনি সাহেবের সাথে বিবাহ দেওয়া হয় তিনিৱ পরিবারের ছোট ছেলে লন্ডন সেটেল ভাবে বসবাস করিতেছে এবং বাকি ছেলেরা বিভিন্ন দেশে বসবাস করি আসতেছি আমার দাদা আলহাজ্ব মুজাফফরুদ্দীন উরফে খয়রুল্লাহ মিয়ার ব্যবসা-বাণিজ্য গিরস্তির জীবন কাহিনী তখনকার ব্রিটিশ আমলে ব্রিটিশ যুগে আমার দাদার ছিল বড় রকমের গেরস্তি একটি আনারসের বাগান ও ছিল সেই আনারসের বাগানের জায়গার পরিমাণ ছিল প্রায় 50 কেয়ার কৃষি কাজের জন্য তখন ছিল আমাদের আটটা চার ফুট উচ্চত হালের বলদ এরকম হালের বলদ তখনকার সময় কয়েক গ্রাম হাটিয়া পাওয়া যেত না এবং অনেক জায়গা সম্পত্তির থাকার কারণে দাদা বাধ্য হয়ে একটি হালের ঠেট কার ক্রয় করেছিলেন শুকনা মৌসুমে অনেক জমি টেঠ কাৱ গাডি দিয়ে ভাঙ্গানো হতো যাই হোক সব সময় চারজন কাজের লোক বাড়িতে থাকতে হতো এবং অগ্রহায়ণ মাসে 15 থেকে 16 জন কাজের শ্রমিক রাকা লাকতো এবং চারজন মহিলা সব সময় কাজের জন্য বাড়িতে থাকতে হতো পরিবারের প্রায় 60 থেকে 70 জন লোক ছিল তখন 2 জন গৃহ শিক্ষক ছিলেন জিনি একন শিল্পপতি হয়েছেন জনাব মজিবুর রহমান চৌধুরী মুজিব তিনি আমাদের গৃহ শিক্ষক ছিলেন প্রায় 12 বছর ছিলেন ভদ্রলোক আমাদের লজিং মাস্টার হিসাবে এবং একজন মৌলানা ছিলেন বাড়িতে সকালে আমাদেরকে ইসলামিক শিক্ষাদানের জন্য আমার বড় চাচা এবং আমার আব্বা একসাথে লেখাপড়া কৱতেন এবং দাদাজানের ক্ষেত-খামারপরিবার সামলাইতে তারা হিমশিম খেতেন একসময় ব্রিটিশরা আমাদের দেশে ফর্ম বাউসার চাডল তখন চাচা আর আব্বার স্কুল থেকে আসিতেছেন তারা দুইটি পরম ক্রয় করিয়া আনিলেন পরিবারের কাউকে না জানাইয়া পরম পোস্ট করলেন এবং যথাসময়ে ফরম রিপ্লাই আসলো আসার পর তারা দুই ভাই সিলেটে গেলেন পাসপোর্ট করার জন্য সেখানে গিয়ে তার খুব বিপদে পড়ে গেলেন খুব বড় ধরনের লম্বা লাইন ছিল পাসপোর্ট করার তখন আমার আব্বু একদিন সারারাত লাইনে অপেক্ষা করিয়া সিরিয়াল পাইলেন এবং পাসপোর্ট কোরিয়া নিয়া আসলে ন এখন লন্ডন যাওয়ার সময় হইল কিন্তু দাদাজান লন্ডন যেতে দিবেন না তিনিৱ গৃহস্থী কে দেখিবে পরে অনেক বুঝাইয়া দাদাকে রাজি করালেন এবং 17 কি য়াৱ জায়গা বিক্রি করিয়ী বারাৱ টাকা যোগাড় করিয়া চাচাকে বাবা লন্ডন পাঠাইলেন সত্য নির্ধারিত সময়ে লন্ডন যাওয়ার দিল সেকালের ঘটনা অন্যরকম যেমন বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানের মত বিরাট বড় বাস ভাড়া করে নিয়ে আসলেন আব্বাজান চাচাকে নিয়ে রওয়ানা দিলেন সিলেট বিমানবন্দরে সেখানে গিয়ে প্রথমে হযরত শাহ জালাল সাহেবের মাজার জিয়ারত করা হলো আনন্দ-ফূর্তি দুঃখ-বেদনা হলো এরপর সিলেট বিমানবন্দরে উদ্দেশ্যে বাস কানা রওয়ানা হল এবং 4 টার ফ্লাইটে চাচা লন্ডনের উদ্দেশ্যে চলে গেলেন সেই থেকে পরিবারের আরও আনন্দ উল্লাস বেড়ে গেল প্রতিবছর আসলে চাৱ কেয়ার জায়গা আমার চাচা রাখতেন এবং জমিনের আলীর সাথে আইল মিলিবার জন্য আব্বা ব্যস্ত হয়ে গেলেন এরকম চলতে শুরু হল প্রতিমাসে একবার আব্বা সিলেট যাইতে ন জায়গা কেনার অনুমতি আনতে হয় তখনকার দিনে যাইহোক চাচা খুব অল্প বয়সে লন্ডন গিয়েছিলেন সেখানে গিয়ে কোন দ্বারা দিশা করতে পারছিলেন না তখন আমাদের আত্মীয় একাটুনা নিবাসী জনাব আরজু মিয়া হাজী এবং জনাব আব্রু মিয়া হাজী সেই 28 জনের সাথে দুইজন আমার চাচাকে অনেক অনেক সাহায্য সহযোগিতা করেছিলেন তারা দুইজন হলেন আমার চাচার নানাভাই একসময় তাদের সহযোগিতায় লন্ডনের আনাচে-কানাচে অনেক জায়গা চাচা চিনে ফেললেন এবং অনেক টাকা পয়সা কামাই লেন দেশে জাগা সম্পত্তি গাড়ি-বাড়ির পাহাড় করেছিলেন আমার চাচা জনাব আব্দুল মান্নান লন্ডনে সাহেব একটি 909 বাস গাড়ি ক্রয় করে আমার ভাই জনাব মুকাদ্দিস মিয়া কে দিয়েছিলেন গাড়িখানা শমশেরনগর টু মৌলভীবাজার বিশ্ বছৱ একনাগাড়ে সার্ভিস দিয়েছে রহিমা এন্ড আয়েশা নামে পরিচিত ছিল গাড়িখানা আমার আব্বা আলহাজ্ব আব্দুল হান্নান পীর সাহেব তিনি খুব সৎ ও নেয়ায় বিচারক নামাজী দানশীল ব্যক্তি ছিলেন লেখাপড়া শেষ করে বাবার সংসার ধরলেন পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্যের সাথে জড়িত হলেন তিনি প্রথমে মালদার এর ব্যবসা করেছেন সেই সুবাদে বানুগাছ নিবাসী জনাব কেরামত উল্লাহ সাহেবের ছেলে চেরাগ আলীর নিকট থেকে পুরাতন একটি জীব 6 হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করলেন জীব কানা হ্যান্ডেল মা ৱিয়া স্টার্ট দিতে হতো এক মাইল দুই মাইল গেলে অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যেত এক মজার ঘটনা এরকম বহুদিন আব্বায় এই গাড়ি কানা টেলায়ই ঠেলাইয়া চালিয়েছেন পরে আমার চাচা লন্ডন থেকে আসিয়া পুরাতন গাড়ি কানা বিক্রি করে ফেলেন পরের বছর আবাৱ চাচা লন্ডন থেকে আসিয়া অ্যাডভোকেট মইনুল ইসলাম এর নিকট থেকে একটি কার গাড়ি ক্রয় করলেন বেঙ্গের মতো দেখতে যার মূল্য ছিল মাত্র 11 হাজার টাকা তখনকার দিনে মৌলভীবাজার জেলায় হাতেগোনা কয়েকটি গাড়ি ছিল মাত্র আমার আব্বাজান রাজনীতিকে খুব বেশি ভালবাসি তেন এবং তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি সাথে সহকর্মী মুক্তিযোদ্ধা বন্ধুরা ছিলেন মির্জ্জা আজিজ বেগ এবং সেই পাকিস্তান আমল থেকে বঙ্গবন্ধুকে খুব ভালোবাসি তেন তখনকার দিনে গ্রামাঞ্চলে কেউ রাজনীতি করতো না খুব অল্প মানুষ গ্রামাঞ্চলে রাজনীতি বুসতো তবে একটি কথা বুঝতো রাজনীতি বুঝিনা শুধু বুঝি বঙ্গবন্ধুর নৌকা মার্কা মানুষের মুখে শুধু নৌকা মার্কায় অন্য কিছু বুজত না যাইহোক আমার আব্বা প্রাচীন 7 নং চাঁদনী ঘাট ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন অনেকদিন রাজনীতি করার পর জীবন-জীবিকার তাগিদে অবশেষে প্রবাস জীবন প্রায় 15-20 বছর কাটিয়ে তারপর নিজ দেশে আসলেন আসার পর আবার সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যোগদান করলেন পরে মৌলভীবাজার জেলার 7 নং চাঁদনীঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে যোগদান করা হলো রাজনীতির পাশাপাশি আমার আব্বা একজন পীর সাহেব ছিলেন এবং একজন বিচারক ছিলেন তিনি সবসময় মানুষের সেবা করতেন এবং বিচারে যাইতেন এবং মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন তিনি রাজনৈতিক সহকর্মী ৱা ছিলেন এ জেলার বিশিষ্টজনরা সাবেক মাননীয় মন্ত্রী জনাব মহসীন আলী চাচা বর্তমান জেলা পরিষদের জেলা প্রশাসক জনাব আজিজুর রহমান আজিজ চাচা জনাব বাচ্চু চাচা জনাব কিরণমনি মাস্টার জনাব বাড়ি মিয়া নানা জনাব আজিজ ব্যাগ জনাব ফরিদ ব্যাগ জনাব ফিরোজ মিয়া এইরকম প্রাচীন মুরুব্বিগণ তখন রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং হাতে গোনা কিছু লোক তখন রাজনীতি করতেন যখন কোন মিছিল-মিটিং শহরে হয়তো তখন মহসিন চাচা আব্বাজান বলিতেন হান্নান ভাই অনেক লোক নিয়া মিটিং এ আসিতে হইবে আমাদের মৌলভীবাজার 2 শমশেরনগর রোডে একটি বাস গাড়ি ছিল যাহার নাম ছিল রহিমা আয়েশা পরিবহন এই গাড়ি কানা বড়িয়া আমার আব্বা লুক নিয়ে শহরে মিটিংয়ে আসতেন আমাদের গাড়ি টানা প্রায় 2 O বছর সার্ভিস করিয়াছে আমাদের আরেকটি ট্রাক গাড়ি ছিল ওই গাড়ি ও মাঝে মাঝে ব্যবহার করিতেন যাইহোক অনেক কিছু লিখতে হয় কিন্তু এই ভাবেই আমার আব্বার জীবন কাটিয়েছেন আমার নাম মোঃ মেরাজ আলিআমি আমার জীবনের প্রথম দিন মাতারকাপন প্রাইমারি স্কুলের ভর্তি হইয়া সেকালে ছিল 1978 ইংৱেজি প্রথম দিন ক্লাসে বসিয়া সেখানে ছিল ভাঙ্গা বেরেন সি ক্লাসের 2 3 টি বন্ধুর পাও আমি ভেঙ্গে ফেলি আমার অজান্তে ব্যালেন্স এর নিচে বন্ধুদের পাও রেখে বসে আছে হঠাৎ ব্যালেন্স এর নিচ থেকে ইট গুলা সরে গেল এবং সবাই পড়ে গেল আর ব্যালেন্স এর নিচে পা পরিয়া পা ভেঙ্গে গেল আমি কি করব আমি দৌড়াইয়া বাড়িতে চলে আসি এবং আমার দাদীর কাছে সব বলিয়াদেই আমার দাদীআমাকে লুকিয়ে রাখিয়া দিলেন পরে আমার আব্বা ক্লাসের ছেলেদের চিকিৎসা করাইয়া তাদের বাড়িতে নিয়া দিয়া আসিলেন এরপর থেকে আমি আর ওই প্রাইমারি স্কুলে যাইতে চাই না পরে আমার চাচা জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান লন্ডিনি সাহেব বাংলাদেশ আসিলেন এবং বিস্তারিত জানতে পারলেন তখন আমার ছোট চাচা কে বলিলেন মৌলিবাজার শহরে একটি ভাল স্কুল কোচ ক ড়িয়া ভাইৱ করো তুমি তো সবসময় মৌলভীবাজার শহরে যাওয়া আসা করো তোমার তো শহরেই সব সময় অবস্থান আর তোমার তো কোন কাজ নেই সব সময় ফাঁকা নি তাই তোমার উপর দায়িত্ব দিলাম তিনি মৌলিবাজার শহরে গিয়ে তখনকার 1978 ইংরেজিতে ভয়াবহ অবস্থা ছিল কোন স্কুল কলেজ ছিল না সামান্য সামান্য কিছু স্কুল কলেজ ছিল তখনকার যুগে মৌলিবাজার শহরে একটি মাত্র প্রাইমারি স্কুল ছিল সেই স্কুলের নাম ছিল শিৱিস বাবুর স্কুল সেই স্কুলে আমাকে ভর্তি করার ব্যবস্থা করি আসলে ন পরের দিন সকালে আমার প্রাণপ্রিয় ছোট চচা জনাব রকিব মিঞা আমাকে স্কুলে ভর্তি করার জন্য রুয়ানা করিলেন স্কুলে গিয়ে প্রথমে স্যারকে সালাম করলাম স্যার আমাকে প্রথমে কাছে নিলেন নিয়ে আমার পেটের মধ্যে চিমটি মারি ধরলেন ধরিয়ে আমাকে বললেন তুমি কি দিয়া খাইয়া আসিয়াছ বলো বাবা স্যারের চিমটি খাইয়া আমার চোখেমুখে পানি আসিয়া গেল সেইদিনের সিমটি কাওযা আজ পর্যন্ত মনে হয় আমার শ্রদ্ধেয় স্যারের কথা যাইহোক আমি স্কুলে রইলাম আমার প্রাণপ্রিয় রকিব চাচা শহরে চলে আসলেন যথাসময়ে একটা সময় স্কুল আমাদের ছুটি হল আমি ও আমার ছোট ভাই নজরুল আমরা একসাথে স্কুল থেকে বাহির হইলাম তখন আমার চাচার সাথেৱ একজন এখানে বসিয়া রাখিয়া আসছিলেন তিনি আমৱা দুজনকে আস্তে আস্তে চমুনায় নিয়ে আসলো এবং তখনকার সময় রাজধানী হোটেলে আমার আব্বার আড্ডা ছিল বেশিরভাগ সময় আব্বা ওইখানে বসতেন এবং পূর্বাঞ্চলের শত শত মানুষকে চা-নাস্তা খাওয়াইতে এটাই ছিল আমার আব্বার অভ্যাস এবং রাজধানীর মালিকে বলা ছিল পূর্বাঞ্চলের যে এখানে চা খাবেন কোন টাকা রাখবেন না আমার নামে লিখে রাখবেন এরকম সম্পর্ক ছিল রাজধানীর মালিকের সাথে হোটেলে আনিয়া আমাদেরকে বসিয়া দিল সেখান থেকে আমার রকিব চাচা একটি রিসকায় করে আমাদেরকে বাড়িতে নিয়ে আসলেন তখনকার সময়ে রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ ছিল গাড়ি গুরা রিসকা কিছুই পাওয়া যেত না যাইহোক বাড়িতে গেলাম খুব আনন্দ হল বিকালে নন্দাই খেলা কাবাডি খেলা ফুটবল খেলা নিয়ে আমরা খুবই ব্যস্ত থাকতাম বাড়ির পাশে আমাদের খুব বড় খেলার মাঠ ছিল খেলাধুলা শেষ করে সন্ধ্যার সময় তাড়াহুড়া করে বাড়িতে আসিয়া গোসল করিয়া সামান্য কিছু নাস্তা পানি খেয়ে তাড়াতাড়ি কৱে পড়াতে বসি তে তো হইল আটটা বাজে পড়া শেষ হলো পরের দিন স্কুলে যাইবার জন্য আব্বাকে বলিলাম যে আমরা তো স্কুল চিনিনা আপনি আমাদেরকে নিয়ে দীয়া আসেন তখন আব্বাজান তিনিৱ ব্যাঙের মতো গাড়িখানা নিয়া আমাদেরকে স্কুলে লইয়া গেলেন আব্বার গাড়িটির চেহারা ছিল ব্যাঙের মতো এরকম দুই চারদিন স্কুলে লইয়া আব্বাজান যাইতেন এবং আব্বা বিভিন্ন কাজে থাকার কারণে সব সময় আমাদেরকে নিয়ে স্কুলে যাইতে পারতেন না একদিন রাতে বড় চাচা সবাইকে ডেকে বললেন নিজে আগামীকল্য আমি মেরাজ এবং নজরুলের জন্য একটি নতুন রিসকা ক্রয় করিয়া দিব এবং আমার ছেলে মুকাদ্দিস এর জন্য একটি বাইসাইকেল ক্রয় করিব পরেরদিন 1800 টাকা দিয়ে একটি নতুন রিকশা এবং 2000 টাকা দিয়া একটি নতুন ফনিক্স বাইসাইকেল ক্রয় করলেন এরপর থেকে বড় ভাই জনাব মোঃ মুকাদ্দিস মিয়া প্রতিদিন বাইসাইকেল করে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যাইতেন এবং আমরা দুই ভাই রিক্সা চরিয়া স্কুলে যাইতাম এরপরে যখন সামান্য বড় হলাম তখন আমার চাচা জনাব আব্দুল মালিক সাবেক পোস্ট মাস্টার সাহেব আমাদেরকে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করাইয়া দিলেন তখনকার যুগে শিরিষ বাবুর স্কুলের ক্লাস বন্ধুগণ ছিল তারা হলেন সাবেক কমিশনার অলিউর রহমান অলি ভাই রায় জুয়েলার্সের প্রোপাইটার অলক দা বিপুল দা সরোয়ার ভাই পুতুল পাম্পের মালিক আরো অনেকে ছিল সকলের নাম মনে হচ্ছে না যাইহোক মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় যখন 1982 ইংরেজি প্রথম ভর্তি হলাম তখন মাঝেমধ্যে আমার আব্বার তখনকার সময় একটি জাপানি ইয়ামাহা মোটরসাইকেল ছিল ওইটা নিয়ে তখন আমাদেরকে স্কুল থেকে আব্বা নিয়ে যাইতেন এৱপর যখন 1990 ইংরেজিতে স্কুল জীবন শেষ করে কলেজে গেলাম স্কুল জীবনের বন্ধুগন যেমন পরাদ ভাই অসিত দা আরো অনেকে যাই হোক কলেজে গিয়ে সেখানে নতুন বৎসর ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তি হলাম নতুন নতুন বন্ধু পেলাম দুই একজন বন্ধুদের নাম বলতে হয় নাম বলবো যেমন মাসুম ভাই মোবাশ্বির ভাই আবু সুফিয়ান ভাই গিয়াস ভাই দেলোয়ার ভাই লুৎফর ভাই খালেদ ভাই আরো অনেকে ছিলেন কলেজ জীবন শেষ করে চাকরি বাকরি করার চিন্তাধারা করেছিলাম কিন্তু যেখানেই যাই সেখানেই বিভিন্ন ধরনের জটিলতা যার জন্য একসময় চাকরি-বাকরি করতে ইচ্ছা হল না পরে জীবন-জীবিকার তাগিদে বেকারত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সদৱে মৌলভীবাজার বিজ্ঞ আইনজীবী সহকারি জনাব আব্দুর রহমান উরুফে ময়না মিয়া মরির সাহেবের সাথে বিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট জনাব তজমুল ইসলাম সাহেবের সে রাস্তায় যোগদান করি বেশকিছুদিন সেখানে আমি আইনজীবি সহকারি হিসেবে কাজ করি একসময় অনেক টাকা-পয়সা সেই কাজে পাইতাম আমার ভালো লাগছে না বন্ধুবান্ধব নিয়ে আড্ডা মারি টাকা-পয়সাও উড়াইয়া পেলতাম একদিকে বাপের নিকট থেকে টাকা পয়সা আনতাম সবসময় শুধু টাকা সবগুলো টাকা বন্ধুবান্ধব নিয়ে করছো করে ফেলতাম পরে একসময় আব্বাজান আমাকে সিলেট তিব্বিয়া কলেজে ভর্তি করে দিলেন সেখানে সিলেটে তিব্বিয়া কলেজে আয়ুর্বেদিক প্রশিক্ষণ দুই বছরের কোর্স কমপ্লিট করে বাড়িতে চলে আসলাম আশিয়া মৌলভীবাজার সদর নিজ গ্রামে শিমুলতলা বাজার আয়ুর্বেদিক মেসাস মদিনা দাওয়াখানা ফেনী দাওয়াখানা নামে একটি ঔষধের প্রতিষ্ঠান চালু করলাম বহুদিন সেখানে মানুষের সেবা করিয়াছে ফ্রি চিকিৎসা এবং অনেককে ফ্রি ঔষধ পত্র ইত্যাদি দিয়ে সহযোগিতা করেছে অনেকদিন প্রতিষ্ঠান চালানোর পর একসময় আমার এলাকার প্রিয় ব্যক্তিরা বাকিতে ঔষধ নিতে নিতে আমার পঞ্জি শেষ করে দে য় পরে আমি কয়েকটা জায়গা বিক্রি করে কাপড়ের দোকান খুলি এবং অসহায় যারা মৃত্যুবরণ করত তাদেরকে দাফন-কাফন দিয়ে সাহায্য-সহযোগিতা করতাম এরকম বহু দিন চলে এবং শীতে গরমে রোজার ঈদে বিভিন্ন সময়ে মানুষকে কাপড় চাল-ডাল এবং কম্বল বিতরণ করে সহযোগিতা করতাম এবং মানুষের লাশ মানুষের বাড়িতে পৌঁছে দিতাম পরে আমার এই দোকানের মূলধন ও এক সময় শেষ হয়ে যায় পরে আমার প্রিয় আব্বাজান জনাব আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল হান্নান পীৱ সাহেব আমাকে নয় লক্ষ টাকা দিয়ে একটি 709 টাটা গাড়ি ক্রয় করে দিলেন গাড়িখানা পেয়ে আমি খুব খুশি হলাম তখন আমি মানুষ মারা গেলে দূর-দূরান্তের ব্যক্তিদেরকে তাদের লাশ আমার গাডি দিয়ে নিয়ে তাদের বাড়িতে বুঝিয়ে দিতাম এবং অসহায় হতদরিদ্র ব্যক্তিদের দাফন কাফনের জন্য টাকা পয়সা দিয়ে আসিতাম যাইহোক এভাবে বহুদিন চলার পর এক সময় আমার গাড়ি কানা বিক্রি করে ফেলি এরমধ্যে বাবা হঠাৎ করে আমাদেরকে ছেডে চলে গেলেন এরপর যখন কোন ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারছিনা তখন বেশ কিছু জায়গা বিক্রি করে ফেলে তখন অনেক বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়-স্বজন আমাকে সুপরামর্শ দিয়াছিল মেরাজ আলি কোটি কোটি টাকার জায়গা বিক্রি করিতেছ এখন একটা ভালো ব্যবসা-বাণিজ্য করো তখন সকলের সু-পরামর্শ শেয়ার বাজারে অনেক টাকা ইনভেস্ট করলাম এবং দুই একটা ব্রিকফিল্ড কিছু টাকা ইনভেস্ট করলাম দুই একটা টমটমের সিএনজি ও লইলাম এভাবে বেশ কিছুদিন যাওয়ার পর শেয়ারবাজারে আগুন লেগে পুড়ে ছাই হয়ে আমাকে মাটির সাথে ঘুম পরাইয়া দিল যাইহোক পাশাপাশি ছোটখাটো গাড়িগুলো আমি মাঝেমধ্যে বিক্রি করে করে জীবন-জীবিকার তাগিদে চলতে শুরু করি সবকিছু হারিয়ে ফেলি যাইহোক পুনরায় আরো কিছু জায়গা বিক্রি করে হাতে মূলধন লই জীবন তো আর থেমে থাকে না চলতে হয় বর্তমানে আমি একজন সাংবাদিক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি আমার একটি পত্রিকা এই শহরের সবার পরিচিত সবাই আমার পত্রিকা গুলা পড়বেন এবং আমার জন্য দোয়া করবেন আমার পত্রিকাটির নাম হল মৌলিবাজার বহুলপ্রচারিত সাপ্তাহিক সোনালী কন্ঠ পত্রিকা আমার বাকি জীবন যাহাতে আমার বাবার রেখে যাওয়া সম্পদ বিক্রি করিয়া চলিয়া যাইতে পারি এবং ঈমান এবং আমল এর সাথে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে পাৱি এই দোয়া সকলে আমার জন্য করিবেনা আমিন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 SonaliKantha
Theme Customized By BreakingNews