1. tarekahmed884@gmail.com : adminsonali :
বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ১২:৫৫ অপরাহ্ন

ভালোর চেয়ে মন্দের পাল্লাই ভারী

  • Update Time : সোমবার, ১৮ জুলাই, ২০২২
  • ৬৯ Time View

দৈনিক মৌলভীবাজার সোনালী কণ্ঠ নিউজ ডট কম

বাংলাদেশ দলের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরটা কেমন গেল? প্রশ্নের উত্তরে ইতিবাচক কিছু আসার কথা নয়। টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভরাডুবির পর ওয়ানডেতে ক্যারিবীয়দের ধবলধোলাই করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে ভালো করলেই বরং স্বস্তি পেতেন সমর্থকেরা। টেস্ট সিরিজটি ছিল আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ।

আর টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছে অক্টোবরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পথে। ওয়ানডে সিরিজটি যেখানে সুপার লিগের অংশ ছিল না। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স কাটাছেঁড়া করতে গিয়ে তাই দেখা যাচ্ছে, ভালোর চেয়ে মন্দের পাল্লাটাই বেশি ভারী।

টেস্ট ব্যাটিং সেই বিবর্ণই

এ বছরের শুরু থেকেই বাংলাদেশ দলের প্রধান দুশ্চিন্তার নাম টেস্ট দলের ব্যাটিং। হুড়মুড়িয়ে ব্যাটিংয়ে ধস নামা যেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটিংয়ের প্রতিদিনের ছবি। ওয়েস্ট ইন্ডিজেও যে ছবি বদলায়নি। অ্যান্টিগায় প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৩ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে করতে পারে ২৪৫। সেন্ট লুসিয়ায় পরের টেস্টের কোনো ইনিংসেই (২৩৪ ও ১৮৬) রান ৩০০ ছাড়ায়নি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস বোলিংয়ের সামনে কোনো ব্যাটসম্যানই দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারেননি। সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, নুরুল হাসান টেস্ট সিরিজজুড়ে ভালো ব্যাটিং করেছেন। কিন্তু তিনজনের কেউই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান নন। সিরিজ শুরুর আগে টপ অর্ডার নিয়ে যে দুশ্চিন্তা ছিল, সেটা সিরিজ শেষে আরও বেড়েছে। তামিম ইকবাল, মাহমুদুল হাসান, নাজমুল হোসেন, মুমিনুল হকের কেউই বড় রান পাননি। অ্যান্টিগার পর সেন্ট লুসিয়ায় তো মুমিনুলকে বাদ দিয়ে এনামুল হককে সুযোগ দেওয়া হয়। ব্যর্থ হয়েছেন তিনিও।

টেস্ট দলের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের এ দুর্দশা অনেক দিন ধরেই চোখে পড়ছে মোহাম্মদ আশরাফুলের। কাল ইংল্যান্ড থেকে মুঠোফোনে আশরাফুল ব্যাটিং ভরাডুবির ব্যাখ্যায় বলছিলেন, ‘অনেক দিন ধরেই যেহেতু টানা ব্যর্থ, ব্যাটসম্যানদের আত্মবিশ্বাস এখন নেই বললেই চলে। তার ওপর খেলতে হচ্ছে কঠিন কন্ডিশনে, ভালো বোলিংয়ের বিপক্ষে। একটু দুর্বল বোলিংয়ের বিপক্ষে খেলে যে আত্মবিশ্বাস অর্জন করবে, সেটি হচ্ছে না।’

উজ্জ্বল টেস্ট দলের বোলিং

উল্টো চিত্র বাংলাদেশ দলের বোলিংয়ে। স্কোরবোর্ডে অল্প পুঁজি নিয়েও অ্যান্টিগা ও সেন্ট লুসিয়া টেস্টে লড়াই করে গেছেন বাংলাদেশ দলের বোলাররা। বিশেষ করে পেস বোলিং বিভাগের ধারাবাহিক উন্নতিটা দক্ষিণ আফ্রিকার পর টের পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজও। পেসার খালেদ আহমেদ ১০ উইকেট নিয়ে টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ছিলেন। ৭ উইকেট নেওয়া অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজকেও সফলই বলতে হবে।

বদলায়নি টি-টোয়েন্টির ভাগ্য

টেস্টের মতো টি-টোয়েন্টির পুরোনো সমস্যাটা বাংলাদেশের পিছু ছাড়ছে না। দ্রুতগতিতে রান তোলায় বাংলাদেশ সব সময়ই পিছিয়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেটি আরও বেশি চোখে পড়ছে। ক্যারিবীয়দের মারকাটারি ব্যাটিংয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়েই ছিল বাংলাদেশ।

টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ার পর শেষ দুটি ম্যাচে ব্যাটিং দিয়েই বাংলাদেশকে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় ম্যাচে রোভম্যান পাওয়েলের ২৮ বলে ৬১ রানের বিধ্বংসী ইনিংসেই লেখা হয়ে গেছে ম্যাচের ভাগ্য। শেষ ম্যাচে নিকোলাস পুরানের ব্যাট থেকে এসেছে ৩৯ বলে ৭৪ রানের আরেকটা ঝোড়ো ইনিংস। বাংলাদেশের কেউই এমন ২০০ ছুঁই ছুঁই স্ট্রাইক রেটের ইনিংস খেলতে পারেননি।

সামর্থ্যের প্রশ্নটাও চলে আসে। বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্স টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে বলেছিলেন, ‘আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানদের পাওয়ারের খেলায় হারাতে পারব না। আমাদের শারীরিক সক্ষমতা নেই অন্য দেশের ব্যাটসম্যানদের মতো। আমাদের যে শক্তি আছে, তা দিয়ে ভালো স্কোর গড়তে হবে ধারাবাহিকভাবে। এক-দুই রান এখানে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বোলিং যেহেতু ভালো, যদি ভালো স্কোর গড়তে পারি, তাহলে বোলিং দিয়ে জেতার সম্ভাবনা আছে।’

ওয়ানডেতে দাপট

ওয়ানডেতে বাংলাদেশ অন্য দুই সংস্করণের চেয়ে বরাবরই ভালো দল। এবার টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারার কারণে পার্থক্যটা আরও বেশি চোখে পড়েছে। এর বড় একটা কারণ অবশ্য উইকেট। গায়ানার স্পিন–সহায়ক উইকেটে যেন ‘মিরপুর’ খুঁজে পেয়েছিলেন বাংলাদেশের স্পিনাররা।

ভাগ্যের সহায়তাও ছিল। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রতিটিতেই তামিম টসে জিতেছেন। তিনবারই প্রথমে বোলিং করে ক্যারিবীয়দের অল্প রানে বেঁধে ফেলা গেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ২০০–ও পেরোয়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য সাফল্যের কাহিনিতে যোগ হয়েছে নতুন তিনটি পরিচ্ছেদ।

টানা ১১ ম্যাচে জয়, ভাবা যায়! যদিও অধিনায়ক তামিম ইকবাল তাতে ভেসে না গিয়ে বলে দিয়েছেন আসল কথাটা, ‘স্পিনাররা এই সিরিজে অনেক বেশি সাহায্য পেয়েছে। ভালো উইকেটে খেললে জেতার জন্য আমাদের আরও ভালো খেলতে হবে।’

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo    Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 SonaliKantha
Theme Customized By BreakingNews