1. tarekahmed884@gmail.com : adminsonali :
শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০৩ অপরাহ্ন
Title :
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি এর অংশ হিসেবে সম্মানিত রোজাদারগণের মধ্যে ইফতার বিতরণ এইচএসসি শুরু হতে পারে ৩০ জুন, ফরম পূরণ ১৬ এপ্রিল থেকে আলুর দাম বাড়ছে, এবার মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই কেন বাজার চড়া এবার ঢাকার বাজারেও পেঁয়াজের বড় দরপতন পবিত্র রমজানে কলেজ খোলা কত দিন সার্বিক উন্নয়নে নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মধ্যে নগদ ৬ হাজার টাকা করে তুলে দিচ্ছেন পাইলগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মোঃ মখলুছ মিয়াসহ অতিথিরা পূবালী ব্যাংক যোগীডহর শাখা মৌলভীবাজার সি. আর. এম. বুথ এর শুভ উদ্বোধন। কাল থেকে কার্যকর হবে সয়াবিন তেলের নতুন দাম শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পাবেন অনুদান, নগদে যাবে অর্থ, আবেদন করেছেন

ডিম-মুরগির দাম বেশি হওয়ার কারণ জানালেন উৎপাদনকারীরা

  • Update Time : রবিবার, ৫ মার্চ, ২০২৩
  • ১৪৫ Time View

দৈনিক মৌলভীবাজার সোনালী কণ্ঠ নিউজ ডট কম

খুচরা বাজারে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম বেশি হলেও পোলট্রি খামারিরা উৎপাদনমূল্য পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছে তাঁদের সমিতি বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন। সমিতির নেতারা বলছেন, খামারগুলোয় একই সঙ্গে উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণে বন্ধ হচ্ছে ডিম ও মুরগি উৎপাদনের কোনো না কোনো খামার। নতুন বিপদ হচ্ছে চাহিদা অনুযায়ী ঋণপত্র (এলসি) খুলতে না পারা।

আজ রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানিয়ে পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন সতর্ক করে বলেছে, পোলট্রিশিল্পের খাদ্য তৈরির উপকরণ আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় এলসি খুলতে না পারলে আগামী দিনে আরও খামার বন্ধ হয়ে যাবে এবং বাজারে ডিম ও মুরগি সরবরাহে সংকট আরও বাড়বে।

সারা বিশ্বে করোনা পরিস্থিতি ও পরবর্তী সময়ে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। ডিম ও মুরগির মাংসের খুচরা দাম নিয়ে অসন্তুষ্টি বাড়ছে ক্রেতাদের মধ্যে। অথচ খামারিরা উৎপাদন মূল্যই পাচ্ছেন না—সংবাদ সম্মেলনে এ কথাও জানানো হয়।

বলা হয়, বর্তমানে ডিম ও মুরগি যে দামে বিক্রি হচ্ছে, এগুলোর উৎপাদন খরচ তার চেয়ে বেশি। গতকাল শনিবার গাজীপুরে ১টি ডিমের পাইকারি মূল্য ছিল ৯ দশমিক ৪৫ টাকা। অথচ একটি ডিমের উৎপাদন খরচ ১১ দশমিক ৭১ টাকা। প্রতি ডিমে ক্ষতি হচ্ছে ২ দশমিক ২৬ টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পোলট্রির ডিম ও মাংস উৎপাদনে ৬৮ থেকে ৭০ শতাংশ খরচ হয় খাদ্যে। আর এ খাদ্যের বেশির ভাগ উপাদানই আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে। আমদানির জন্য আগে যে ডলার ৮৪ টাকায় কেনা যেত, এখন প্রতি ডলারের জন্য ১১০ টাকা দিতে হচ্ছে। তারপরও ডলার পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে জাহাজভাড়া বৃদ্ধি, ডিজেল, বিদ্যুৎ, পরিবহনসহ সবকিছুরই দাম বেড়েছে। উৎপাদন খরচ বেড়েছে এসব কারণেই।

উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির আরও উদাহরণ দিতে গিয়ে সংগঠনটির মহাসচিব খোন্দকার মো. মহসিন জানান, ২০২০ সালের মাঝামাঝি প্রতি কেজি ভুট্টার দাম ছিল ১৭ দশমিক ৩০ টাকা। বর্তমানে প্রতি কেজি শুকনা ভুট্টার দাম ৩৮ টাকার বেশি। পোলট্রি খাদ্যে ভুট্টার ব্যবহার হয় ৬০ শতাংশ। এ ছাড়া পোলট্রি খাদ্যে সয়াবিন খইলের ব্যবহার শতকরা ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। যে সয়াবিন খইলের দাম ২০২০ সালে প্রতি কেজি ছিল ৩৫ টাকা, বর্তমানে তা ৮৪ টাকার বেশি।

মুরগির বাচ্চা নিয়েও কথা বলেন তিনি। জানান, মুরগির বাচ্চা বিক্রি করতে না পেরে মাঝেমধ্যেই এক দিনের লাখ লাখ বাচ্চা মেরে ফেলতে হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 SonaliKantha
Theme Customized By BreakingNews