1. tarekahmed884@gmail.com : adminsonali :
রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
Title :
ভারতেও ইউরোপের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে দুবার শিক্ষার্থী ভর্তি টিসিবির জন্য ৫৩৭ কোটি টাকার মসুর ডাল ও সয়াবিন তেল কেনা হচ্ছে মে মাসে এসেছে ২১৪ কোটি ডলার প্রবাসী আয়, প্রবৃদ্ধি ৩৮ শতাংশ বাড়ল ডিম, আলু, পেঁয়াজের দাম সপ্তাহের শেষ দিনে সোনার দাম কমেছে ফিলিস্তিনি ব্যাংক বিচ্ছিন্ন করতে চায় ইসরায়েল, মানবিক সংকটের হুঁশিয়ারি মার্কিন অর্থমন্ত্রীর ভিকারুননিসা, মনিপুরের মতো নামী স্কুলও ফলে পিছিয়ে চাল, আলু, বিদ্যুৎ হবে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য, বাদ সিগারেট, স্বীকৃতি নেই পানির এসএসসির ফল কীভাবে দেখবে শিক্ষার্থীরা, নিয়ম জানাল শিক্ষা বোর্ড ভারতের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে দেশে কমছে পেঁয়াজের দাম

রোজা: ছোলা বিক্রিতে ভাটা, টিসিবিও লক্ষ্যমাত্রা অর্ধেকে নামাচ্ছে

  • Update Time : শনিবার, ১৮ মার্চ, ২০২৩
  • ১৭৮ Time View

দৈনিক মৌলভীবাজার সোনালী কণ্ঠ নিউজ ডট কম

দেশে প্রতিবছর যতটা পরিমাণ ছোলা বিক্রি হয়, তার বড় অংশের বেচাকেনা হয় রোজাকে কেন্দ্র করে। তবে এবার ছোলা কিনতে মানুষের আগ্রহ কম বলে জানাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে বিক্রেতাদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে। এদিকে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ছোলা বিক্রির পরিমাণ কমাচ্ছে। দেশের এক কোটি পরিবার কার্ডধারীর জন্য গত বছর রোজায় যে পরিমাণ ছোলা বিক্রি করেছিল, এবার তার অর্ধেক বিক্রির পরিকল্পনা সংস্থাটির।

রোজার সময়ে বাংলাদেশে যে পণ্যটি ব্যাপকভাবে বিক্রি হয়, এবারে সেই ছোলার চাহিদা কমে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পাওয়া যায় ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে। একজন ক্রেতা জানালেন, প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়ার কারণে তিনি এবার রোজায় যতটা সম্ভব ব্যয় সাশ্রয় করতে চান।

পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঋণপত্র খোলার সমস্যার কারণে ছোলার আমদানি কম হতে পারে, এমন শঙ্কা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত যে পরিমাণ ছোলা আমদানি হয়েছে, তাতে বাজারে ছোলার সংকট হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। উল্টো ছোলার চাহিদা কমার কারণে দাম কিছুটা কমে আসতে পারে। ইতিমধ্যে বাজারে সেই প্রবণতা দেখাও দিয়েছে। টিসিবির বাজারদরের তালিকা থেকে জানা গেছে, গত এক মাসের ব্যবধানে ছোলার দাম কমেছে সাড়ে ৫ শতাংশের মতো।

চকবাজার ডালপট্টির আমদানিকারকেরা বলছেন, রোজা উপলক্ষে ছোলা-জাতীয় পণ্যের কেনাকাটায় যে চাপ প্রতিবছর থাকে, এবার তা নেই। এর মধ্যে বাজারে ডাল-জাতীয় অন্যান্য পণ্যের দামও একটু কমতে শুরু করেছে। রোজার মধ্যে ছোলার বাজারে আর কোনো সংকট হবে না বলে মনে করছেন তাঁরা।

বাংলাদেশ ডাল ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ডাল ও ছোলার দাম কমতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে বেচাকেনার অবস্থাও ‘ঠান্ডা’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শুধু যে আমদানিকারক ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা বেচাকেনা কমার কথা বলছেন তা-ই নয়, খুচরা বিক্রেতাদের মুখেও একই কথা। তাঁরাও বলছেন, বাজারে এই সময়ে এসে ছোলার মতো পণ্যের বেচাকেনার যে ধুম পড়ে যায়, এবার সেই অবস্থা দেখা যাচ্ছে না। তাতে এবার রমজানে ছোলার বাজার কিছুটা ঝিমিয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

নিউমার্কেট কাঁচা বাজারের ডি ব্লকের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হৃদয় স্টোরের মালিক মো. হৃদয় প্রথম আলোকে বলেন, রোজার বাজারের জন্য ছোলা বিক্রির আলাদা একটা প্রস্তুতি থাকে। সেটা রোজার আগেভাগেই নেওয়া হয়, এবারও সেভাবেই প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু বেচাকেনার অবস্থা প্রত্যাশা পূরণ করছে না। তাঁর ভাষায়, মোটামুটি বেচাকেনা হচ্ছে।

এদিকে আমদানির তথ্যে দেখা যাচ্ছে, চলতি বছরের আড়াই মাসে (জানু-১৫ মার্চ) ছোলা আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার টন। গত বছর একই সময়ে ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার টন। এক মাস আগেও ছোলা আমদানিতে যে সংকট ছিল, তা কেটে গেছে ভারত থেকে আমদানি শুরু হওয়ার পর।

ছোলার মতো আমদানি কমেছে মটর ডাল ও মসুর ডালের। মটর ডালের আমদানি ৫০ শতাংশ কমে গেছে। চলতি বছরের আড়াই মাসে (জানু-১৫ মার্চ) মটর ডাল আমদানি হয় ৭৬ হাজার টন। গত বছর একই সময়ে যা ছিল ১ লাখ ৫২ হাজার টন। আবার গত বছর একই সময়ে যেখানে মসুর ডালের আমদানি ছিল ১ লাখ ৪৩ হাজার টন, সেখানে এবার আমদানি হয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার টন।

বিক্রি কমাবে টিসিবি

সরকারি সংস্থা টিসিবি গত বছরের তুলনায় এবার ছোলা বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা অর্ধেকে নামিয়েছে। গত বছর সংস্থাটি ২০ হাজার ৩৩১ টন ছোলা বিক্রি করেছিল। এবার সেখানে সারা দেশে ১০ হাজার টন ছোলা বিক্রি করবে, যা দেশের বাৎসরিক চাহিদার ১৫ ভাগের এক ভাগ। তাতে টিসিবি রোজায় এক দফার বেশি ছোলা বিক্রি করতে পারবে না। অন্যান্য পণ্য বিক্রি করবে দুই দফা।

টিসিবি অবশ্য গত বছরের আগের দুই বছরে আরও কম ছোলা বিক্রি করেছিল। ২০২০-২১ অর্থবছরে ৭ হাজার ৩৭৪ টন ও ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৭ হাজার ৪৮৯ টন ছোলা বিক্রি করেছিল রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টিসিবির মুখপাত্র ও ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের মো. হুমায়ূন কবির প্রধান প্রথম আলোকে বলেন, ক্রেতাদের মধ্যে ছোলা কেনার আগ্রহ কম থাকে। সেটা বিবেচনায় ছোলা পরিমাণ গতবারের চেয়ে কমানো হয়েছে। বর্তমানে প্রতি পরিবার কার্ডের বিপরীতে এক কেজি ছোলা দেওয়া হচ্ছে। বরাদ্দকৃত ছোলা যদি অবিক্রীত থাকে, তাহলে পরে আবার দেওয়া হতে পারে। বিক্রি হয়ে গেলে এই রমজানে আর পরিবার কার্ডধারীরা ছোলা পাবেন না।

বাজার ঘুরে ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণত লালচে যে ছোলা বাজার থেকে সবাই কিনে থাকেন, তার দুটি ধরন এবার বাজারে আছে। তার মধ্যে একটা পুরোনো ধরনের, আরেকটি এবারের রোজাকে কেন্দ্র করে বাজারে এসেছে। আমদানি খরচ বেশি পড়ার কারণে নতুন আসা এই ছোলা খুচরা বিক্রিতে প্রতি কেজির দাম পড়ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। আর পুরোনো ছোলার দাম পড়ছে প্রতি কেজি ৮৫ থেকে ৯৫ টাকা।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর মালিবাগ বাজারে সদাই করতে এসেছিলেন আমিনুল ইসলাম। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, বাজারে প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে। তাই এবারের রোজায় তিনি ব্যয় সাশ্রয় করতে চান। তাতে ছোলা ও খেজুরের মতো পণ্য কেনাকাটায় যতটুকু না কিনলে নয়, ঠিক ততটুকুই কিনবেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে প্রতিবছর দেড় লাখ টনের ওপরে ছোলার প্রয়োজন হয়। প্রতিবছর আমদানি হয় দুই লাখ টনের মতো। এর মধ্যে শুধু রমজানেই চাহিদা থাকে প্রায় এক লাখ টন। স্থানীয়ভাবে ছোলার উৎপাদন সেভাবে নেই বললেই চলে। তাতে দেশের বাজারে পণ্যটির চাহিদা পূরণে আমদানির ওপরই নির্ভর করতে হয়।

 

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo    Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo    Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo    Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo    Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo    Open photo

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 SonaliKantha
Theme Customized By BreakingNews