1. tarekahmed884@gmail.com : adminsonali :
সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন

মুয়ানির জীবনের অংশ হয়ে গেছে ফাইনালের মিসটি

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ২২৮ Time View

দৈনিক মৌলভীবাজার সোনালী কণ্ঠ নিউজ ডট কম

বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই মুহূর্তের কথা মনে হলে একেকজনের একেক অবস্থা হয়। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের হার্টবিট মুহূর্তের জন্য হলেও বেড়ে যায়, ফ্রান্স–সমর্থকেরা আক্ষেপে পুড়তে থাকেন, আর্জেন্টাইন গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ হয়তো নিজের শরীরে চিমটি কেটে দেখেন আর ফ্রান্স স্ট্রাইকার কোলো মুয়ানির বুক ফেটে কান্না আসে।

হ্যাঁ, ফাইনালের সেই ১২৩ মিনিটের কথাই বলা হচ্ছে। স্কোরলাইন তখন ৩-৩। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের হাড্ডাহাড্ডি ও শ্বাসরূদ্ধকর লড়াই শেষে বিশ্বকাপ ফাইনাল টাইব্রেকারের রোমাঞ্চের অপেক্ষায় তখন।

নিকোলাস ওতামেন্দির ভুলে হঠাৎই আর্জেন্টাইন বক্সের সামনে গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে একা পেয়ে যান মুয়ানি। মার্তিনেজের পাশ দিয়ে জালে ঠেলে দিলেই ফ্রান্স জিতে যাবে, এমন একটা পরিস্থিতিতে মুয়ানির শট অবিশ্বাস্যভাবে ঠেকিয়ে দেন মার্তিনেজ। সেটিকে সবাই ‘বিশ্বকাপের সেরা সেভ’ বলছেন।

টাইব্রেকারে মার্তিনেজ ফ্রান্সের কিংসলি কোমানের শট ঠেকিয়েছেন। তাঁর কাছে মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে হেরে বাইরে মেরেছেন অঁরিলিয়ে চুয়ামেনি। কিন্তু টাইব্রেকারের এ দুটি শট ছাপিয়েও মুয়ানির শট অবিশ্বাস্যভাবে ঠেকিয়েই আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ে সবচেয়ে বড় অবদানটি রেখেছিলেন।

বিশ্বকাপ ফাইনালের পর গত এক মাসে মার্তিনেজের সেভ নিয়ে অনেক কথাই হয়েছে। কিন্তু এ সময় মুয়ানি প্রায় নীরবই ছিলেন। নীরবতা ভেঙে আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের কঙ্গোতে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার অবিশ্বাস্য সেই মিস নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মিসটি তাঁর জীবনেরই অংশ হয়ে গেছে তার পর থেকে, ‘আমি সেই সুযোগ নষ্ট করেছি অবিশ্বাস্যভাবে। এটি আমার জীবনেরই অংশ এখন। এটা বাকি জীবন আমাকে তাড়িয়ে বেড়াবে।’

ফ্রান্সের নঁতেতে বেড়ে উঠেছেন ২৪ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার। তিনি সেই মিসের পর থেকে আক্ষেপে পুড়লেও এটাকে জীবন ও ফুটবলেরই অংশ মনে করছেন মুয়ানি, ‘ওই মিস নিয়ে আক্ষেপ আছে। কিন্তু ওটা নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। ফুটবলে গোল মিস হয়ই। সব স্ট্রাইকারই গোল মিস করে। অনেক তারকা ফুটবলারই এমন মিস করে, কিন্তু আমাদের সামনে তাকাতে হবে। এগিয়ে যেতে হবে।’

গোল মিসের আগে মুয়ানি বদলি হিসেবে নেমে দুর্দান্ত খেলেছেন। কোচ দিদিয়ের দেশমের আস্থার প্রতিদান দিয়েছিলেন। তিনি যখন নামেন, তখন লিওনেল মেসির পেনাল্টি আর আনহেল দি মারিয়ার গোলে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে আর্জেন্টিনা ফাইনালটাকে ম্যাড়মেড়ে বানিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু দেশম মুয়ানি আর মার্কোস থুরামকে নামিয়ে খেলার খোলনলচে পাল্টে দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুয়ানির জীবনের স্মৃতি হয়ে থাকছে ১২৩ মিনিটের ওই মিসই।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo   Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo    Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo    Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

Open photo

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 SonaliKantha
Theme Customized By BreakingNews